সঞ্জু স্যামসনের হুঙ্কার: বিশ্ব ক্রিকেটে দাপট দেখাতে চলেছে ভারত!
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ (T20 World Cup 2026) জয়। এই জয় শুধু একটি ট্রফি নয়, বরং বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন এক যুগের সূচনা। ভারতের এই ঐতিহাসিক সাফল্যের অন্যতম নায়ক সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson) মনে করেন, এটি কেবল শুরু। তার বিশ্বাস, দেশের তরুণ প্রতিভার প্রাচুর্য এবং দলের বর্তমান ফর্মের কারণে ভারত ভবিষ্যতে আরও অনেক ট্রফি ঘরে তুলবে।
মানসিক পরিবর্তনের গল্প
দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিসিসিআই অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর (BCCI Awards 2026) মঞ্চে দাঁড়িয়ে সঞ্জু তার সেই ম্যাজিকাল পারফরম্যান্সের পেছনের রহস্য উন্মোচন করলেন। তিনি বলেন, টুর্নামেন্টের মাঝপথে দলে ডাক পাওয়ার পর থেকেই তার মধ্যে একটি ‘মানসিক পরিবর্তন’ (Mentally flipped) আসে। সঞ্জু জানান, আগে তিনি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স নিয়ে বেশি ভাবতেন, কিন্তু বিশ্বমঞ্চে দলের প্রয়োজনই হয়ে ওঠে তার প্রধান লক্ষ্য।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সঞ্জুর জাদু
প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট (Player of the Tournament) নির্বাচিত হওয়া সঞ্জু মাত্র ৫ ইনিংসে প্রায় ২০০ স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান সংগ্রহ করেছেন। চাপের মুখে তার পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো:
- ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে (Super Eight match): ডু-অর-ডাই ম্যাচে বিধ্বংসী ব্যাটিং।
- ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (Semi-final): দলকে ফাইনালে তোলার মূল কারিগর।
- নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে (Final): শিরোপা জয়ের ম্যাচে মহাকাব্যিক ইনিংস।
সঞ্জু বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন দেখতাম। আমার জীবন বা ক্যারিয়ারের চিত্রনাট্যটা ঠিক সিনেমার মতো। যখন আমাকে দলে ডাকা হলো, তখন আমি জানতাম এটাই আমার সময়।’
মোহাম্মদ সিরাজের অবিশ্বাস্য যাত্রা
এদিকে, দলের পেসার মোহাম্মদ সিরাজ (Mohammed Siraj) তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে এটিকে ‘অলৌকিক’ (Miracle) বলে অভিহিত করেছেন। শুরুর স্কোয়াডে না থেকেও শেষ মুহূর্তে দলে জায়গা পাওয়া এবং বিশ্বকাপ জয়ের সাক্ষী হওয়াটা তার কাছে স্বপ্নের মতো।
ভারতের এই দলটি এখন নতুন উচ্চতায়। সঞ্জুর কথায়, ‘আমি নিশ্চিত, ভারতের যে মানের ক্রিকেটাররা উঠে আসছে, তাতে বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতের দাপট নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।’
Leave a Reply